বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের গণমাধ্যমে চীনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সিরিজ নিয়ে ‘টিভি পর্দায় চীন উৎসব’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) প্রযোজিত ও নির্মিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি চীনের বর্ণিল সংস্কৃতির নানা উপাদান তুলে ধরা হয়।
মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির রাখেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স ইয়ান হুয়া লোং।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত সিএমজি প্রযোজিত ও নির্মিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এ অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয় চীনের বর্ণিল সংস্কৃতির নানা উপাদান, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম এবং এক অঞ্চল এক পথ উদ্যোগের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচিতি। পাশাপাশি এতে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী চীনের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওপরও আলোকপাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয় দীপ্ত টিভিতে প্রচারিত চীনের ধারাবাহিক নাটক ‘রহস্যময়ী’র পরিচিতি; পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় নাটকের ডাবিং শিল্পীদের কয়েকজনকে, যারা তাদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেন দর্শক-শ্রোতাদের সঙ্গে। বাংলায় ডাবিংকৃত এ নাটকটি বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বলে জানান আয়োজকরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘টিভি পর্দায় চীন উৎসব’ এটি একটু নতুন ধারার আয়োজন। এই আয়োজনে বাংলাদেশ ও চীনের সংস্কৃতির বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কে জানার আগ্রহ সৃষ্টি করবে। চীনের সাথে আমাদের দেশের সম্পর্কের বহু আগে চীনা পর্যটকরা এদেশে এসেছেন। স্বাধীনতা পূর্ব সময়েও চীনের সাথে পূর্বপাকিস্তানের ব্যবসা ছিলো, তারা আসতো। চীন কিছুদিন আগেও আমাদের কাছে একটি অজানা দেশ ছিলো, রহস্যে ঘেরা দেশ৷ চীন অনেক সুন্দর দেশ, আমি গিয়ে দেখেছি যেন স্বপ্নের মতো সুন্দর করে সাজিয়েছে দেশকে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফুয়াদ চৌধুরী, চায়না রেলওয়ে বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রধান শি ইউয়ান, চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানির বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রধান ফাং মিং এবং নিউ হোপ গ্রুপের বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রধান হা ছুয়ান শুই। অনুষ্ঠানে সমাপনি বক্তব্য রাখেন সিএমজির বাংলা বিভাগের পরিচালক ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দি প্রমুখ।